নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ডোরা ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গোপনে একটি অস্থায়ী রানওয়ে তৈরি করেছিল। এরপর নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে প্রথমে সেখানে দুটি সি-১৩০ পরিবহন বিমান পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কারিগরি জটিলতা বা প্রতিকূল পরিবেশের কারণে সেগুলো ইরানে আটকে যায়।
আটকে যাওয়া বিমান দু'টি যাতে ইরানের হাতে না পড়ে, তাই সেগুলো ধ্বংস করে দেয় ইউএস স্পেশাল ফোর্স। আর এর বদলে উদ্ধার অভিযান চালাতে নতুন করে পাঠানো হয় আরও ৩টি এয়ারক্রাফট।