আইইএর প্রধান ফাতিহ বিরল বলেন, এই সংকটের সমাধান হবে হরমুজ প্রণারি পুরোপুরি পুনরায় খুলে দেওয়া। উপসাগরীয় এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ পরিবাহিত হতো।
মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে মার্চের শুরুতে আইইএ সদস্য দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মোকাবিলা করা।
তবে ফাতিহ বিরল সতর্ক করে বলেন, এই মজুত ক্রমাগত কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইইএ নতুন করে সমন্বিতভাবে তেল ছাড়ার পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।